মনিরুজ্জামান মিল্টন, অভয়নগর
যশারের অভয়নগরে ঈদের মেলায় ফুসকা খেয়ে শতাধিক শিশু,নারী ও পুরুষ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। ঈদের দিন (সোমবার) রাতে ভৈরব ব্রীজের পাড়ে উপজেলার দেয়াপাড়া গ্রামের ঈদমেলায় আসা একটি দোকানের ফুসকা খেয়ে অসুস্থ হতে শুরু করে লোকজন । এদর মধ্য ৯৫ জনক অভয়নগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অসুস্থ ১০ জনর অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাদর খুলনা মডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে ফুসকা ব্যবসায়ী মনির হাসান পালিয়ে গেছে ।
জানা যায়,ভৈরব নদের ব্রীযের ওপার বঅরাবরের ন্যায় ঈদের দিন মেলা বসে। গ্রামের আশপাশ ও দুর দুরÍ থেকে আসা মানুষ বিনাদনের জন্য ওই মেলায় আসে। গত সোমবার ঈদের দিন শতশত শিশু, নারী ও পুরুষ সেখানে এসেছিলো। মেলায় হরেকরকম খাবারের দাকান বসে। রুপদিয়া এলাকা থেকে মনির হাসান নামে এক ব্যক্তি মেলায় অস্থায়ী ফুসকার দোকানে ফুসকা বিক্রি করতে আসে। মেলায় বেড়াতে আসা শতশত মানুষ ওই দাকানের ফুসকা খেয়েছিলা। নড়াইল সদর উপজলার তপনবাগ গ্রাম থেকে ইব্রাহিম শেখর দুই মেয়ে রিমা খাতুন (২৮) ও আয়শা খাতুন (২৪) এবং আয়শা খাতুনের ছেলে মুহাম্মদ আলী (৭) ও ওমর সরকার (৫)কে নিয়ে মেলায় ঘুরতে এসে উক্ত দোকানের ফুসকা খেয়েছিলো।তার পর পরি তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে। এছাড়াও উপজেলার দেয়াপাড়া গ্রামের বাদশা মিয়ার পরিবারের ১৩ জনকে সাথে নিয়ে ফুসকা খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে । তারা রাত বাড়িত যাওয়ার পর পাতলা পায়খানা,বমি, ও খিচুনি শুরু হয়। পরে হাসপাতালে ভর্তি হন।
হাসপাতালে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আলীমুর রাজীব বলেন
আজ বিকালও ১৩ জন ভর্তি হয়েছন। তাদের মধ্য ১০ জনের অবস্থা মারাত্মক হওয়ায় তাদেরক খুলনা মডিকেল কলেজ হাসপাতাল এ প্রেরণ করা হয়েছে ।
দেয়াপাড়া গ্রামের অসুস্থ বাদশা মিয়ার ভাই সাইফুল ইসলাম বাপ্পী বলেন, পরিবারর সকলকে নিয়ে ঈদমেলায় ওই দাকান থেকে ফুসকা খেয়ে বাড়ি আসারপর থেকে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়ে।
অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল আলীম বলেন বিষয়টি শুনেছি তবে কেউ অভিযোগ করেনি। আমাওরা ফুস্কা বিক্রেতাকে খুজছি।সে বর্ত্মানে পালাতক আছে।