ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুন্ডু উপজেলা ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক (কালাম)এর প্ররোচনায়, ১৭'ই মার্চ মঙ্গলবার সরকারি ছুটির দিনে নারিকেল গাছে ডাব পাড়তে উঠে সিফাত(১৫) নামে এক শিশু গুরুতর আহত হয়। স্থানীয় লোকজন ও অফিস সহায়ক কালাম তাকে (সিফাত) কে হরিনাকুন্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দেয় এবং রোগীর অবনতি দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেলে রেফার করেন।
কুষ্টিয়া মেডিকেলে যাওয়ার পথে রোগীর (সিফাতের) সাথে থাকা স্থানীয় রাজিবের কাছে ফোন দিয়ে বিষয় টি জানতে চাইলে,পাশে থাকা অফিস সহায়ক কালাম ফোন নিয়ে বলেন,এব্যাপারে এসিলেন্ড স্যারের ড্রাইভার রাসেল জানে ও এক পর্যায়ে বলেন এটা অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে হয়ে গেছে,তিনি কে জানতে চাইলে তিনি বলেন (কালাম) আমি কালাম ঝিনাইদহ থেকে আসছিলাম আমি ঝিনাইদহের বলে ফোনটা কেটে দেন।
এদিকে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সহকারী কমিশনার (ভূমি) হরিণাকুন্ডু বলেন,এই বিষয়ে আমি অবগত ছিলাম না তবে আপনি বলার পর জানতে পারলাম এবং কালাম স্বীকার করেছেন যে সে এই কাজটা করেছে,তাছাড়া এক্সিডেন্ট হয়ে গেছে সেটাও আমাকে বলেনি,আমি দেখছি ও ব্যবস্থা নিচ্ছি।
এবং পরবর্তীতে দৈনিক প্রতিদিনের কন্ঠ পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক আরিফুল ইসলামের সাথে সরাসরি দেখা হলে তিনি ( হরিণাকুন্ডু উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা) বলেন, অফিস সহায়ক কালাম কে এই বিষয়ে শৌকজ করা হবে ও এই ধরনের কাজ করার জন্য অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অফিস সহায়ক কালামের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন, এই কালাম প্রায়'ই এধরনের কাজ করে দেখতে ও শুনতে পাই, আজকেও তিনি এই ধরনের কাজ করলো ,একটা বাচ্চা ছেলেকে বিভিন্ন লোভ লালসা দেখিয়ে সরকারি ছুটির দিন গাছে চড়িয়ে দিলো, না জানি ছেলেটার কত বড় ক্ষতি হয়ে যাবে।
এছাড়াও স্থানীয় ভাবে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, আহত সিফাত কে হরিণাকুন্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে কুষ্টিয়া মেডিকেলে রেফার করা হলেও সেখানে অফিস সহায়ক কালাম সাথে থাকায় তার কৌশল গতভাবে কিছু প্রাথমিক চিকিৎসা, যেমন কাটা ছেড়া জায়গায় হাল্কা বেন্ডেস দিয়ে সিফাতের স্বজনদের অর্থের লোভ দেখিয়ে বাড়িতে নিয়ে চলে আসা হয়েছে। যে কারোনে সিফাতের মা সহ স্বজনরা সাংবাদিকদের আর কোন তথ্য দিতে চাইছে না।
এদিকে উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা ১৯'মার্চ তার ১৭'মার্চের বক্তব্য থেকে সরে এসে বলেন,আমি ঐদিন জানতাম না তাই অফিস সহায়ক কালাম স্বীকার করেছে বলেছি কিন্তু আজকে ঐ শিশুটি আমার বাসায় ডাকা হয় এবং ঘটনা জানতে চাওয়া হয়, শিশুটি বলে সে নিজেই গাছে উঠেছিল।
এবং আমার অফিসের কালামের বিরুদ্ধে যেহেতু অভিযোগ টি উঠেছে তাই তাকে শৌকজ করেছি।
কি ধরণের শৌকজ করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যেহেতু অফিস ছুটি তাই তাকে মৌখিক ভাবে শৌকজ করা হয়েছিল এবং এখন শিশুটির নিজ মুখে শুনে জানতে পারলাম যে সে নিজ থেকেই নারিকেল গাছে উঠেছিল ।











