কণ্ঠ ডেস্ক
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি ড. আলী রীয়াজ জানিয়েছেন, ‘সংস্কার কমিশনগুলোর প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর শিগগিরই প্রতিটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করা হবে। যত দ্রুত সম্ভব আমরা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বসতে চাই। জাতীয় ঐকমত্য কমিটির মেয়াদ ছয় মাস। তাই এই সময়ের মধ্যেই আমরা সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে চাই।’ শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে চলমান জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।আলী রীয়াজ বলেন, ‘আজকের বৈঠকে সব রাজনৈতিক দলই একমত হয়েছে যে, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই। তারা সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকারকে সহযোগিতা করবে এবং সরাসরি অংশগ্রহণ করবে। আমরা মনে করি, প্রতিটি রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব সংস্কার কার্যক্রমকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।’ সংলাপ দ্রুত সম্পন্ন করার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমরা চাই যত দ্রুত সম্ভব রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শেষ হোক। তবে যেহেতু ছয়টি কমিশনের প্রতিবেদন তাদের পাঠানো হয়েছে, তাই পর্যালোচনার জন্য কিছুটা সময় প্রয়োজন।’ তিনি আরও বলেন, ‘সংস্কার কর্মসূচিগুলোকে দ্রুত অগ্রসর করা এবং জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করা দরকার। যাতে আমরা দ্রুততম সময়ে নির্বাচনের পথে এগিয়ে যেতে পারি।’ সংস্কার কমিশনের নির্ধারিত ছয় মাসের মধ্যেই সংলাপ শেষ করা সম্ভব কিনা এমন প্রশ্নে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি বলেন, ‘আমরা আশা করছি ছয় মাসের মধ্যেই এটি সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। তবে রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রতিবেদন পর্যালোচনার জন্য সময় দিতে হবে। বাস্তবতা হলো, আমরা চাই যত দ্রুত সম্ভব সংলাপ ও পর্যালোচনার কাজ শুরু করতে।’