কণ্ঠ ডেস্ক
২০ জানুয়ারি অভিষেকের আগে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় আটক ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি না দিলে মধ্যপ্রাচ্যকে নজিরবিহীন পরিণতি ভোগ করতে হবে। সোমবার (২ ডিসেম্বর) এমন কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর একদিন পর মঙ্গলবার ইসরায়েলি নেতারা তার এই প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে। ট্রাম্পের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথে কোনও গোষ্ঠীর নাম উল্লেখ না করেই সোমবার তিনি লিখেছিলেন, তাঁর শপথ নেওয়ার সময় জিম্মিদের মুক্তি দিতে হবে। আর তার দাবি মোতাবেক এমনটি যদি না হয়, তবে ‘দায়ীদের যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘ ইতিহাসে নজিরবিহীন পরিণতি ভোগ করতে হবে।’২০২৩ সালে ইসরায়েলে একটি আকস্মিক হামলার সময় ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের নেতৃত্বাধীন যোদ্ধারা ২৫০ জনেরও বেশি মানুষকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যায়। কয়েকজনকে মুক্তি দেওয়া হলেও আটককৃতদের প্রায় অর্ধেক এখনও গাজায় রয়েছে, যদিও তাদের অন্তত এক তৃতীয়াংশকে মৃত বলে মনে করা হয়। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার অনেক মন্ত্রী প্রকাশ্যে ট্রাম্পকে এমন কঠোর বার্তা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।মন্ত্রিসভার বৈঠকের শুরুতে নেতানিয়াহু বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সঠিক জায়গায় জোর দিয়েছেন: হামাসের ওপর, ইসরায়েলি সরকারের ওপর নয়, যেমনটি হয়ে থাকে।’ অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ বলেছেন, কে সঠিক এবং কে ভুল—ট্রাম্পের বিবৃতি সবাইকে তা স্পষ্ট করে দিয়েছে।তিনি বলেন, ‘এটি হলো জিম্মিদের ফিরিয়ে আনার উপায়: হামাস ও তার সমর্থকদের চাপ দিয়ে ও তাদের ব্যয় বৃদ্ধি করে এবং তাদের অযৌক্তিক দাবিতে নতি স্বীকার না করেই তাদের পরাজিত করা।’ ট্রাম্পের এমন প্রতিশ্রুতির জন্য নিখোঁজ জিম্মিদের পরিবারও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। ফ্যামিলি ফোরাম বলেছে, ‘এটি এখন সবার কাছে স্পষ্ট যে, সময় এসেছে। আমাদের এখনই তাদের বাড়িতে ফিরিয়ে আনতে হবে।’